কাঞ্চন নগর ধুরুং ও হালদা খালের পাড়ের জমিতে মৌসুমী বেগুন ও মুলার চাষ করে অনেকে স্বাবলম্বী
কাঞ্চন নগর ধুরুং ও হালদা খালের পাড়ের জমিতে মৌসুমী বেগুন ও মুলার চাষ করে অনেকে স্বাবলম্বী।
ফোরকান মাহমুদ:- আমাদের গ্রাম কাঞ্চন নগর, সবুজ শ্যামল আর কৃষি প্রধান গ্রাম হিসাবে চিহ্নিত, যে কেউ কাঞ্চন নগর নাম শুনলে মুলা বেগুনের গ্রাম বলে অবহিত করে।
কাঞ্চন নগর এলাকার ধুরুং ও হালদা খালের পাড়ের জমিতে বেগুন আর মুলার চাষ করে অনেক কৃষক এখন স্বাবলম্বী।
জানা যায় কাঞ্চন নগরে শীতকালীন সবজি হিসেবে বেগুন আর মুলার চাষ করা হয় প্রায় ১৮০ শত হেক্টর জমিতে, তা আবার আগের তুলনায় অনেক কম।
বেগুন আর মুলার চাষ এর পাশাপাশি, ধুরং ও হালদা খালের পাড়ের চরে স্থানীয় কৃষকরা শীতের মৌসুমে আলু, মরিচ, কপি, শশা ইত্যাদি সবজি চাষ করে থাকে।
এই বার অন্য সবজির পাশাপাশি কিছু কৃষক বেগুন আর মুলার চাষ করে তাদের উৎপাদন খরচ বাদ দিয়ে এক মৌসুমে লক্ষ টাকা আয় করেছে বলেও জানা যায়। এই মৌসুমে বেগুন চাষ করে স্বাবলম্বী হওয়ায় স্থানীয় কৃষকদের মাঝে অন্যান্য সবজির পাশাপাশি বেগুন চাষে ঝুকে পড়ছে অনেকে।
কাঞ্চন নগর ইউনিয়নের মধ্য কাঞ্চন নগর হাট বাজারের কৃষক মোঃ নেজাম উদ্দিন (নান্টু) বলেন আমি অন্যান্য সবজির পাশাপাশি ২ হেক্টর জমিতে বেগুনের চাষ করেছি। আমি প্রথমে ৫০ হতে ৮০ টাকা পর্যন্ত ধরে বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ব্যবসায়ীদের কাছে বেগুন,আর ১০০০-১২০০ শত টাকা মুলা সার্ক বিক্রি করেছি।
প্রথম দুই থেকে তিন দফা বিক্রি করে আমার উৎপাদন খরচ উঠে যায়। পরবর্তীতে বাকি বেগুন বিক্রি করে আমার সংসারে খরচ বাদ দিয়ে ৮০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা আয় হয়।
এইদিকে কাঞ্চুর হাট বাজারের আরেক কৃষক মুহাম্মদ রহিমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি ৪ হেক্টর জমিতে বেগুন ও ২ হেক্টর জমিতে অন্যান্য সবজির চাষ করেছি, এই পর্যন্ত তিনি কত টাকার সবজি বিক্রয় করেছে জানতে চাইলে, একটু মুচকি হেসে বলেন ৪-৫ লক্ষ টাকার সবজি তার ক্ষেত থেকে এই পর্যন্ত উত্তলন করা হয়েছে।
চমুর হাট এবং তেমুহনী কিছু ব্যবসায়ীর কাছে জানতে চাইলে তারাও একই উত্তর দেন।
চট্টগ্রাম শহর বহদ্দর হাট থেকে আসা সবজি ব্যবসায়ী ইদ্রিচ ও শহিদুল্লার কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন আমরা প্রতিদিন এই বাজারে আসি। আমরা এখান থেকে সবজি কিনে চট্টগ্রাম শহরে বিভিন্ন সবজি বাজারে সরবরাহ করে থাকি।
এতে ক্রেতাও খুব সস্তাতে সবজি কিনতে পারে।
কাঞ্চুর হাট বারের কৃষকের কাজে জানাতে চাইলে তারা বলেন, এই এলাকার বেগুন, মুলা ও অন্যান সবর্জির স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে উপজেলা ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম শহরসহ পাশের মানিকছড়ি, লক্ষীছড়ি এলাকা গুলোর চাহিদা মেটাতে সক্ষম হচ্ছে।
কাঞ্চন নগরের বাসিন্দা মোঃ খোরশেদ বলেন প্রতিদিন ভোর সকালে কৃষকরা জমি থেকে বেগুন নিয়ে বাজারে সারি বদ্ধ ভাবে ভীড় জমায়। এখানে বিভিন্ন স্থানের ব্যবসায়ীরা এসে এলাকার বেগুন, মুলা ও অন্যান্য সবজি কিনে বিভিন্ন জায়গায় পাইকারি হাটে নিয়ে যায়।
কাঞ্চন নগর হাট বাজারের বাসিন্দা অনেক কৃষক অভিযোগ করে বলেন সরকারী ভাবে আমরা তেমন একটা সুযোগ সুবিধা পাই না। স্থানীয় উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা এসে তদারকি করলে আমাদের ফলন আরো ভালো হত।
কাঞ্চন নগর এলাকার ধুরুং ও হালদা খালের পাড়ের জমিতে বেগুন আর মুলার চাষ করে অনেক কৃষক এখন স্বাবলম্বী।
জানা যায় কাঞ্চন নগরে শীতকালীন সবজি হিসেবে বেগুন আর মুলার চাষ করা হয় প্রায় ১৮০ শত হেক্টর জমিতে, তা আবার আগের তুলনায় অনেক কম।
বেগুন আর মুলার চাষ এর পাশাপাশি, ধুরং ও হালদা খালের পাড়ের চরে স্থানীয় কৃষকরা শীতের মৌসুমে আলু, মরিচ, কপি, শশা ইত্যাদি সবজি চাষ করে থাকে।
এই বার অন্য সবজির পাশাপাশি কিছু কৃষক বেগুন আর মুলার চাষ করে তাদের উৎপাদন খরচ বাদ দিয়ে এক মৌসুমে লক্ষ টাকা আয় করেছে বলেও জানা যায়। এই মৌসুমে বেগুন চাষ করে স্বাবলম্বী হওয়ায় স্থানীয় কৃষকদের মাঝে অন্যান্য সবজির পাশাপাশি বেগুন চাষে ঝুকে পড়ছে অনেকে।
কাঞ্চন নগর ইউনিয়নের মধ্য কাঞ্চন নগর হাট বাজারের কৃষক মোঃ নেজাম উদ্দিন (নান্টু) বলেন আমি অন্যান্য সবজির পাশাপাশি ২ হেক্টর জমিতে বেগুনের চাষ করেছি। আমি প্রথমে ৫০ হতে ৮০ টাকা পর্যন্ত ধরে বিভিন্ন স্থান থেকে আসা ব্যবসায়ীদের কাছে বেগুন,আর ১০০০-১২০০ শত টাকা মুলা সার্ক বিক্রি করেছি।
প্রথম দুই থেকে তিন দফা বিক্রি করে আমার উৎপাদন খরচ উঠে যায়। পরবর্তীতে বাকি বেগুন বিক্রি করে আমার সংসারে খরচ বাদ দিয়ে ৮০ হাজার থেকে ১ লক্ষ টাকা আয় হয়।
এইদিকে কাঞ্চুর হাট বাজারের আরেক কৃষক মুহাম্মদ রহিমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি ৪ হেক্টর জমিতে বেগুন ও ২ হেক্টর জমিতে অন্যান্য সবজির চাষ করেছি, এই পর্যন্ত তিনি কত টাকার সবজি বিক্রয় করেছে জানতে চাইলে, একটু মুচকি হেসে বলেন ৪-৫ লক্ষ টাকার সবজি তার ক্ষেত থেকে এই পর্যন্ত উত্তলন করা হয়েছে।
চমুর হাট এবং তেমুহনী কিছু ব্যবসায়ীর কাছে জানতে চাইলে তারাও একই উত্তর দেন।
চট্টগ্রাম শহর বহদ্দর হাট থেকে আসা সবজি ব্যবসায়ী ইদ্রিচ ও শহিদুল্লার কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন আমরা প্রতিদিন এই বাজারে আসি। আমরা এখান থেকে সবজি কিনে চট্টগ্রাম শহরে বিভিন্ন সবজি বাজারে সরবরাহ করে থাকি।
এতে ক্রেতাও খুব সস্তাতে সবজি কিনতে পারে।
কাঞ্চুর হাট বারের কৃষকের কাজে জানাতে চাইলে তারা বলেন, এই এলাকার বেগুন, মুলা ও অন্যান সবর্জির স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে উপজেলা ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম শহরসহ পাশের মানিকছড়ি, লক্ষীছড়ি এলাকা গুলোর চাহিদা মেটাতে সক্ষম হচ্ছে।
কাঞ্চন নগরের বাসিন্দা মোঃ খোরশেদ বলেন প্রতিদিন ভোর সকালে কৃষকরা জমি থেকে বেগুন নিয়ে বাজারে সারি বদ্ধ ভাবে ভীড় জমায়। এখানে বিভিন্ন স্থানের ব্যবসায়ীরা এসে এলাকার বেগুন, মুলা ও অন্যান্য সবজি কিনে বিভিন্ন জায়গায় পাইকারি হাটে নিয়ে যায়।
কাঞ্চন নগর হাট বাজারের বাসিন্দা অনেক কৃষক অভিযোগ করে বলেন সরকারী ভাবে আমরা তেমন একটা সুযোগ সুবিধা পাই না। স্থানীয় উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা এসে তদারকি করলে আমাদের ফলন আরো ভালো হত।

No comments